Loading...

কিভাবে নিশ্চিত করবেন ডাটা সিকিউরিটি?

| Updated: December 19, 2021 15:59:17


কিভাবে নিশ্চিত করবেন ডাটা সিকিউরিটি?

পাসওয়ার্ড, ডাটাবেজ, ব্যক্তিগত তথ্য, আর্থিক লেনদেনের বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ তথ্য, এককথায় ‘সেনসিটিভ ইনফরমেশন’ বলতে যা বোঝায় সেগুলো নিরাপদ ও দুষ্ট চক্রের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়টি ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক যেকোন পর্যায়েই একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়।

এছাড়াও ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও মোবাইল ডিভাইস বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ডাটা সিকিউরিটি একটি অবিচ্ছেদ্য ও অপরিহার্য পদক্ষেপ।

ডাটা সিকিউরিটি এমন একটি বিষয় যার শতভাগ নিরাপত্তা কখনোই নিশ্চিত করা সম্ভবপর হয়ে ওঠেনা। বিভিন্নভাবে ডাটা সিকিউরিটি প্রদান করা যায়।

এক্সেস কন্ট্রোল

এর মাধ্যমে বিভিন্ন সিস্টেম ও ডাটাবেজে ম্যানুয়াল ও ডিজিটাল এক্সেস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এক্ষেত্রে সকল কম্পিউটার ও ডিভাইসে লগইন এন্ট্রি অপশন বাধ্যতামূলক রাখতে হবে। ফলে যাদেরকে এক্সেস করার জন্য আইডি ও পাসওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে, তারা বাদে অন্য কেউ ডিভাইসগুলো ব্যবহার করতে পারবে না।

অথেনটিকেশন

অথেনটিকেশন অনেকটা এক্সেস কন্ট্রোলের মতো, তবে এক্ষেত্রে সুরক্ষা ব্যবস্থা আরো কয়েকধাপ জোরালো হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে এক্সেসের জন্য পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি পিন নাম্বার, সিকিউরিটি টোকেন, সোয়াইপ কার্ড বা বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার হয়ে থাকে।

ব্যাকআপ এবং রিকভারি

সিস্টেম ফেইলার, দুর্যোগ, ডাটা করাপশন বা ডাটা লুটের কারণে গুরুত্বপূর্ণ ডাটাসমূহ যেকোন সময় গায়েব হয়ে যেতে পারে, তাই ব্যাকআপ এবং রিকভারি উভয় বিষয় মাথায় রাখতে হবে। ব্যাকআপের জন্য ডাটা কপি করে আলাদা কোন হার্ডডিস্ক বা লোকাল নেটওয়ার্ক বা ক্লাউডে সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনবোধে খুব সহজেই ডাটা রিকভারি করে ফেলা যাবে।

ডাটা ইরেজার

ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে কর্মীদের কাজ শেষে প্রতিনিয়ত ডাটা মুছে ফেলার প্রয়োজন হয়ে থাকে, তবে সেটা অবশ্যই সঠিকভাবে হওয়া চাই যাতে মুছে ফেলা এই তথ্যগুলো পুনুরুদ্ধার করা সম্ভবপর না হয়। তাই স্বাভাবিক নিয়মে তথ্য মুছে না ফেলে ডাটা ইরেজার সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত।

ডাটা মাস্কিং

ডাটা মাস্কিং সফটওয়্যার ব্যবহার করলে মূল ডাটার অক্ষর এবং সংখ্যাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায় এবং তার পরিবর্তে সেখানে কিছু প্রক্সি অক্ষর এবং সংখ্যা চলে আসে। কেবলমাত্র যার কাছে অ্যাক্সেস রয়েছে বা যার কাছে তথ্যগুলো পাঠানো হয়েছে কেবলমাত্র তিনি/তারা তথ্যগুলো রিসিভ করলে ডাটা পুনরায় প্রকৃত ফরম্যাটে চলে আসে। ফলশ্রুতিতে এর মাঝে কোন তৃতীয়পক্ষ থাকলে তাদের কাছে তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না।

ডাটা রেজিলেন্সি

বৈদ্যুতিক সংযোগের অনুপস্থিতি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ডাটা সিস্টেম পুরোপুরিভাবে সুরক্ষিত রাখার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারে আগে থেকেই রেজিলেন্সি ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে।

এনক্রিপশন

ডাটা এনক্রিপটেড করা থাকলে এনক্রিপশন কি এর মাধ্যমে ডাটার তথ্যাবলী আনরিডেবল (অপাঠযোগ্য) ফরম্যাটে রুপান্তরিত হয়ে যায়। যাদের কাছে সঠিক এনক্রিপশন কি আছে কেবলমাত্র তারাই ডাটাগুলো অ্যাক্সেস করতে পারবে।

এছাড়াও তথ্যচুরি ঠেকাতে এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য কিছু ডাটা সিকিউরিটি টেকনোলজি ব্যবহার করা যেতে পারে যেমন ডাটা রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট , ডাটা অডিটিং, ডাটা রিয়েল টাইম অ্যালার্টস, ডাটা মিনিমাইজেশন।

zabin860@gmail.com

Share if you like

Filter By Topic