ঈদে গ্রামের বাড়ি গেলে স্বর্ণালংকার আত্মীয়-স্বজনের কাছে রেখে যান: ডিএমপি কমিশনার


FE Team | Published: April 18, 2022 21:02:57 | Updated: April 19, 2022 14:43:51


ঈদে গ্রামের বাড়ি গেলে স্বর্ণালংকার আত্মীয়-স্বজনের কাছে রেখে যান: ডিএমপি কমিশনার

ঈদে বাসা ফাঁকা রেখে ঢাকা ছেড়ে গেলে দামি স্বর্ণালংকার কাছাকাছি থাকা আত্মীয়-স্বজনের কাছে রেখে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তরে মার্চ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এ পরামর্শ দেন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য নগরবাসীর অনেকেই গ্রামের বাড়িতে যান। এ সময় তাদের বাসা-বাড়ি ফাঁকা থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ার বিষয়টি সভায় তুলে ধরেন পুলিশ কমিশনার।

তিনি বলেন, এ সময় যেন কোনো ধরনের অঘটন না ঘটে, এজন্য বাসা-বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরীদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

প্রয়োজনে ঢাকা ত্যাগ করা নগরবাসীকে দামি স্বর্ণালংকার পার্শ্ববর্তী আত্মীয়-স্বজনের নিকট রেখে যাওয়ার পরামর্শ দেন শফিকুল ইসলাম।

ঈদের আগে অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা ঠেকাতে টহল দলকে সতর্ক করে প্রয়োজনে স্পেশাল টিম করে তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার।

তিনি বলেন, ১৫ রোজা শেষ হয়ে গেছে। এখন মার্কেটগুলোতে ধীরে ধীরে ভিড় বাড়তে থাকবে। এ সময় মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টি বা টানা পার্টির তৎপরতা বেড়ে যায়।

এজন্য থানার টহল পার্টিকে আরও সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজনে স্পেশাল টিম করে এদেরকে গ্রেপ্তার করতে হবে।

অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, শুধু পাহারা দিয়ে অপরাধ দমন করা যায় না, অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে অপরাধ প্রতিরোধ করতে হবে।

ট্রাফিক বিভাগের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে যানজটের চাপ বেড়ে যায়। এজন্য প্রয়োজনে ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলার পুলিশের সাথে সমন্বয় করে ঢাকার প্রবেশ মুখগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে।

প্রতি মাসে ঘটে যাওয়া অপরাধ বিশ্লেষণ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পরবর্তী কর্মপন্থা ও কর্মকৌশল সম্পর্কিত নির্দেশনার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের কর্মোদ্দীপনা বাড়াতে প্রতিমাসের কার্যক্রম পয়েন্ট আকারে যোগ করে পরবর্তী মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মীর রেজাউল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) কৃষ্ণ পদ রায়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) এ এফ এম মাসুম রব্বানী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) আসাদুজ্জামান।

Share if you like