Loading...

ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ডিগ্রি নকলে সাজা বেড়ে ৩ বছর

| Updated: December 20, 2021 13:04:51


ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ডিগ্রি নকলে সাজা বেড়ে ৩ বছর

ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ডিগ্রির নকলের সাজা বাড়িয়ে তিন বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে নতুন আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

সামরিক শাসনামলে ১৯৮৩ সালে প্রণীত ‘দি বাংলাদেশ ইউনানি অ্যান্ড ও আয়ুর্বেদিক প্রাকট্রিশনার্স অর্ডিন্যান্স’ বদলে নতুন আইন করা হচ্ছে।

‘বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন- ২০২১’ এর খসড়া রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক নীতিগত অনুমোদন পায়। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

অধ্যাদেশ থেকে রূপান্তরিত নতুন আইনে ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় বোর্ডের পাশাপাশি নতুন করে এ ধারার চিকিৎসকদের নিবন্ধনের জন্য কাউন্সিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কোনো সংস্থা, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ডিগ্রির নিষিদ্ধ অনুকরণ করলে (ভুয়া ডিগ্রি বানালে) তিন বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে খসড়া আইনে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, কোনো সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন ছাড়া মিথ্যা উপাধি ব্যবহার করলে নতুন আইনে এক বছরের কারাদণ্ড বা একলাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হবে।

অনুমোদন ছাড়া ওষুধ সেবনের পরামর্শ যদি কেউ দেয় তাহলে তার এক বছরের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড হবে।

‘দি বাংলাদেশ ইউনানি অ্যান্ড ও আয়ুর্বেদিক প্রাকট্রিশনার্স অর্ডিন্যান্সে’র কোনো বিধান লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ সাজা ছিল একবছরের কারাদণ্ড ও একহাজার টাকা জরিমানা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, খসড়া আইন অনুযায়ী, একটা বোর্ড থাকবে ঢাকায়, যার অধীনে দেশের যে কোনো স্থানে আঞ্চলিক শাখা চালু করা যাবে। চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বোর্ডের একটি পর্ষদ থাকবে, একজন রেজিস্ট্রার থাকবেন। প্রতি বছর শেষে বোর্ড সরকারের কাছে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে। এছাড়া একটা কাউন্সিল থাকবে, যার মেয়াদ হবে তিন বছর।

তিনজন সংসদ সদস্য, ডিজি হেলথ, বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক বোর্ডের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডিন, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন, চট্টগ্রাম, রাজশাহী অথবা খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে মেডিসিন অনুষদের একজন ডিন, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের একজন যুগ্মসচিব, অর্থবিভাগ থেকে একজন যুগ্মসচিব, ইউনানি বোর্ডের রেজিস্ট্রার, একটি স্বীকৃত ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের একজন অধ্যক্ষসহ ১৬টি ক্যাটাগরি থেকে কাউন্সিল মেম্বার বেছে নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “এই কাউন্সিল ডিপ্লোমা, স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ডিগ্রি দেখভাল করবে, ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার গবেষণা ও বিশেষ শিক্ষা প্রবর্তন, অনুমোদন, আর্থিক অনুদান, স্বীকৃত প্রদান ও প্রকাশনার বিষয়টি দেখাশোনা করবে এই কাউন্সিল।

“মূলত এখনকার বিএমডিসি বা বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের মতো হবে এই কাউন্সিল।”

Share if you like

Filter By Topic