Loading...
The Financial Express

ইউক্রেইনের রাজধানীতে পৌঁছে গেছে রাশিয়ার সৈন্যরা

| Updated: February 26, 2022 10:23:41


কিয়েভ সিটি সেন্টারের উত্তরে ওবোলন আবাসিক এলাকার রাস্তা দিয়ে রাশিয়ার ট্যাংকের এগিয়ে যাওয়ার কয়েকটি ভিডিও এসেছে সোশাল মিডিয়ায়।  কিয়েভ সিটি সেন্টারের উত্তরে ওবোলন আবাসিক এলাকার রাস্তা দিয়ে রাশিয়ার ট্যাংকের এগিয়ে যাওয়ার কয়েকটি ভিডিও এসেছে সোশাল মিডিয়ায়। 

ইউক্রেইনে আক্রমণ শুরুর দ্বিতীয় দিনে তুমুল লড়াইয়ের মধ্যে রাজধানী কিয়েভে পৌঁছে গেছে রাশিয়ার সৈন্যরা।

শুক্রবার বিকালে এক টুইটে ইউক্রেইনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘শত্রুরা’ পৌঁছে গেছে ওবোলন এলাকায়। শহরের প্রাণকেন্দ্রে ইউক্রেইনের পার্লামেন্ট থেকে ওই এলাকার দূরত্ব ৯ কিলোমিটারের মত। 

বিবিসির বরাত দিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে, ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা দপ্তর স্থানীয়দের উৎসাহ দিচ্ছে, যেন তারা মলোটভ ককটেল বানিয়ে রুশ বাহিনীকে প্রতিরোধের লড়াইয়ে যোগ দেয়।

পাশাপাশি তাদের নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে সরকারের তরফ থেকে।

টুইটে বলা হয়েছে, “শান্তিপ্রিয় বাসিন্দারা, সতর্ক থাকুন, নিজের বাড়ি ছেড়ে যাবেন না!”

এর আগে কিয়েভে গোলাগুলি চলারও খবর এসেছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। তবে সেখানে ঠিক কী ঘটছে, তা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই।

বেশ কয়েকটি বড় ধরনের বিস্ফোরণেরও খবর পাওয়া গেছে কিয়েভে।

কিয়েভ সিটি সেন্টারের উত্তরে ওবোলন আবাসিক এলাকার রাস্তা দিয়ে রাশিয়ার ট্যাংকের এগিয়ে যাওয়ার কয়েকটি ভিডিও এসেছে সোশাল মিডিয়ায়। 

ওই ভিডিও যে ওবোলন এলাকার কোনো ভবন থেকে ধারণ করা হয়েছে, তা যাচাই করে নিশ্চিত হয়েছে তারা।

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ ঘোষণা করার পর বৃহস্পতিবার রাশিয়ার বাহিনী ইউক্রেইনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আক্রমণে নামে। বিস্ফোরণ ও গোলাগুলিতে কেঁপে ওঠা বড় বড় শহরগুলোর আনুমানিক এক লাখ লোক ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে; কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যুরও খবর পাওয়া গেছে।

সীমান্ত অঞ্চলগুলো থেকে কিয়েভে যাওয়ার যতগুলো পথ, তার মধ্যে বেলারুশের দিকে থেকে যাওয়ার রাস্তাই সবচেয়ে সংকীর্ণ; বৃহস্পতিবার রাশিয়ার বাহিনীগুলো ওই পথেই এগিয়ে গিয়ে কিয়েভের উত্তরে চেরনোবিলের একসময়কার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দখলে করে নেয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেইনের কর্মকর্তারা বলছেন, রাশিয়ার লক্ষ্য হচ্ছে কিয়েভ দখল করা এবং দেশটির পশ্চিমাপন্থি সরকারকে উৎখাত করা।

ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার সকালে এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, “আমাকে তাদের টার্গেটগুলোর মধ্যে এক নম্বরে রেখেছে শত্রুরা, দুই নম্বরে আমার পরিবার। তারা রাষ্ট্রপ্রধানকে নিঃশেষ করে ইউক্রেইনকে রাজনৈতিকভাবে নিঃশেষ করতে চায়।

“আমি রাজধানীতেই থাকব। আমার পরিবারও ইউক্রেইনেই আছে।”

Share if you like

Filter By Topic